গোপালগঞ্জের ইতিহাসইতিহাস, ঐতিহ্য, নামকরণ ও দর্শণীয় স্থানসমূহকে জানুন:-মধুমতির কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে আজকের গোপালগঞ্জ শহর। প্রাচীনকালে এ এলাকাটি বঙ্গ অঞ্চলের অন্তর্গত ছিল। সুলতানী ও মোঘল যুগে এ অঞ্চল হিন্দু রাজারা শাসন করতেন। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩) সময় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা ছিল যশোর জেলার অন্তর্গত আর বাকী অংশ ছিল ঢাকা-জালালপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত। ১৮০৭ সালে মুকসুদপুর থানা যশোর থেকে ফরিদপুর জেলার সাথে যুক্ত হয়। ফরিদপুর জেলার একটি পরগনার নাম ছিল জালালপুর। গোপালগঞ্জ সদর ও কোটালীপাড়া জালালপুর পরগনাভুক্ত ছিল। ১৮১২ সালে চান্দনা (মধুমতি) নদী যশোর ও ঢাকা-জালালপুর জেলার বিভক্ত রেখা হিসেবে নির্ধারিত হয়। গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর এলাকা ছিল বিশাল জলাভূমি। এখানে নৌ-ডাকাতির প্রকোপ ছিল বেশী। এজন্য বাকেরগঞ্জ থেকে বিভাজিত হয়ে ১৮৫৪ সালে মাদারীপুর মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়।১৮৭২ সালে মাদারীপুর মহকুমায় গোপালগঞ্জ নামক একটি থানা গঠিত হয়। ১৮৭৩ সালে মাদারীপুর মহকুমাকে বাকেরগঞ্জ জেলা থেকে ফরিদপুর জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ১৯০৯ সালে মাদারীপুর মহকুমাকে ভেঙ্গে গোপালগঞ্জ মহকুমা গঠন করা হয়। গোপালগঞ্জ এবং কোটালীপাড়া থানার সঙ্গে ফরিদপুর মহকুমার মুকসুদপুর থানাকে নবগঠিত গোপালগঞ্জ মহকুমার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।গোপালগঞ্জের প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন জনাব সুরেশ চন্দ্র সেন। ১৯১০ সালে মহকুমা প্রশাসকের বেঞ্চ কোর্ট ফৌজদারি কোর্টে উন্নীত হয়। ১৯২১ সালে গোপালগঞ্জ শহরের মানে উন্নীত হয়। আদমশুমারি অনুযায়ী তখন গোপালগঞ্জ শহরের লোকসংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪ শত ৭৮ জন মাত্র। ১৯২৫ সালে গোপালগঞ্জে সিভিল কোর্ট চালু হয়।১৯৩৬ সালে মুকসুদপুর থানা বিভক্ত হয়ে কাশিয়ানী থানা গঠিত হয়। ১৯৭৪ সালে গোপালগঞ্জ সদর থানাকে ভেঙ্গে টুঙ্গিপাড়া নামক একটি থানা গঠন করা হয়। ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক ছিলেন জনাব এ. এফ. এম. এহিয়া চৌধুরী।বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা ০৫ টি উপজেলা, ০৫ টি থানা, ০৪ টি পৌরসভা, ৬৮টি ইউনিয়ন এবং ৬৫৩ টি মৌজা নিয়ে গঠিত। বর্তমানে জনাব শাহিদা সুলতানা, জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত আছেন।এ জেলার উত্তরে ফরিদপুর জেলা, দক্ষিণে পিরোজপুর ও বাগেরহাট জেলা, পূর্বে মাদারীপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে নড়াইল জেলা অবস্থিত ।গোপালগঞ্জের নামকরণঃ কলকাতার জ্ঞানবাজার নিবাসী প্রীতিরাম দাস ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে অনুর্বর অসমতল মকিমপুর পরগনা (বর্তমান বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার আওতায়) জমিদারী তৎসময়ে ঊনিশ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। তার দ্বিতীয় পুত্র রাজচন্দ্র দাস ১৮০৪ খ্রিষ্টাব্দের ২১ এপ্রিল মাহিষ্য বংশীয় মেয়ে রাসমনিকে বিয়ে করেন। জমিদার রাজচন্দ্র তার স্ত্রী রানী রাসমনি ও তাঁর বিবাহিত তিন মেয়েকে রেখে ১৮৩৬ খ্রিষ্টাব্দের ৯ জুন মাত্র ৪৯ বৎসর বয়সে মারা যান। জমিদার রাজচন্দ্র ও রাসমনির কোন পুত্র সন্তান ছিলো না। চার কন্যার মধ্যে প্রথম কন্যা পদ্মমনির বিয়ে হয় রামচন্দ্রের সাথে। তাঁদের মহেন্দ্র নাথ, গনেশচন্দ্র, সৌদামিনী, সুভদ্রা, বলরাম, কালী এবং সতীনাথ নামে সাতটি সন্তান জন্ম হয়। প্রথম পুত্র মহেন্দ্র নাথ অকালে মৃত্যুবরণ করেন। ফলে জীবিত বয়েজ্যেষ্ঠ পুত্র গনেশ জমিদার হন। খাটরা এস্টেটের প্রজারা রানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে খাটরা এস্টেটের রাজগঞ্জ বাজারের নাম বদল করে রানীর নাতি তথা গনেশের একমাত্র পুত্র নব গোপালের নামানুসারে রাখতে চান। নব গোপালের নামের “গোপাল ” ও রাজগঞ্জের “গঞ্জ” এই মিলিয়ে গোপালগঞ্জ নামকরণ করা হয়।অন্য আরেকটি সূত্রেঃ-গোপালগঞ্জ জেলা শহরের রয়েছে প্রাচীন ইতিহাস। অতীতের রাজগঞ্জ বাজার আজকের জেলা শহর গোপালগঞ্জ। আজ থেকে প্রায় শতাব্দীকাল পূর্বে শহর বলতে যা বুঝায় তার কিছুই এখানে ছিলোনা। এর পরিচিতি ছিলো শুধু একটি ছোট্ট বাজার হিসেবে। এঅঞ্চলটি মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদার রানী রাসমণির এলাকাধীন ছিলো। উল্লেখ্য রানী রাসমণি একজন জেলের মেয়ে ছিলেন। সিপাই মিউটিনির সময় তিনি একজন উচ্চ পদস্থ ইংরেজ সাহেবের প্রাণ রক্ষা করেন। পরবর্তীতে তারই পুরস্কার হিসাবে বৃটিশ সরকার রাসমণিরকে মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদারী প্রদার করেন এবং তাঁকে রানী উপাধিতে ভূষিত করেন। রানী রাসমণির এক নাতির নাম ছিলো নব-গোপাল তিনি তাঁর স্নেহাস্পদ নাতির নাম এবং পুরানো ইতিহাসকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নাতিন নামের ‘গোপাল’ অংশটি প্রথমে রেখে তার সাথে রাজগঞ্জের ‘গঞ্জ’ যোগ করে এ জাযগাটির নতুর নামকরণ করেন গোপালগঞ্জ। ১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি।★এক নজরে গোপালগঞ্জ১/ভৌগোলিক অবস্থানপ্রায় ২২০৫১’ থেকে ২৩০৫০’ উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৯০০’ থেকে ৯০০১০’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।২)আয়তনঃ১৪৮৯.৯২ বর্গ কিঃমিঃ।৩)মোট জনসংখ্যাঃ১১,৭২,৪১৫ জন (২০১১৪)পুরুষঃ৫,৭৭,৮৬৮ জন।৫)মহিলাঃ৫,৯৪,৫৪৭ জন।৬)গোপালগঞ্জ সদর উপজেলাঃ৩,৪৪,০০৮ জন।৬)মুকসুদপুর উপজেলাঃ২,৮৯,৪০৬ জন।৭)কাশিয়ানী উপজেলাঃ-২,০৭,৬১৫ জন।৮/কোটালীপাড়া উপজেলাঃ২,৩০,৪৯৩ জন।৯/টুঙ্গিপাড়া উপজেলাঃ১,০০,৮৯৩ জন।১০/জনসংখ্যার ঘনত্বঃ৭৮৭ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে (২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে)।১১/উল্লেখযোগ্য পেশাঃকৃষিজীবী, মৎস্যজীবী, চাকুরীজীবী, শিক্ষকতা, আইনজীবী, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী ।১৩/সংসদীয় আসন সংখ্যাসমূহঃ০৩টি, ২১৫ গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর- কাশিয়ানী (সিংগা, হাতিয়াড়া, পুইসুর, বেথুড়ী,নিজামকান্দি, ওড়াকান্দি, ফুকরা ইউনিয়ন সমূহ ব্যতীত)), ২১৬ গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর- কাশিয়ানী (সিংগা, হাতিয়াড়া, পুইসুর, বেথুড়ী,নিজামকান্দি, ওড়াকান্দি, ফুকরা ইউনিয়ন সমূহ)),২১৭ গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া)।৭. প্রশাসনিক বিভাজনঃক) উপজেলাঃ০৫টি । (১) গোপালগঞ্জ সদর (২) মুকসুদপুর (৩) কাশিয়ানী (৪) কোটালীপাড়া (৫) টুঙ্গিপাড়া।খ) মোট পৌরসভাঃ০৪টি (গোপালগঞ্জ, কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া, মুকসুদপুর)গ)মোট ইউনিয়ন পরিষদঃ ৬৮টিঘ) মোট গ্রামঃ ৯০৫টিঙ) মৌজাঃ ৬৫৩টি৮. পোস্টাল কোডগোপালগঞ্জ সদর উপজেলাঃ ৮১০০কোটালীপাড়া উপজেলাঃ ৮১১০টুঙ্গিপাড়া উপজেলাঃ ৮১২০কাশিয়ানী উপজেলাঃ ৮১৩০মুকসুদপুর উপজেলাঃ ৮১৪০৯. এন ডব্লিউ ডি কোড ০২১০. মোট জমির পরিমাণঃ ৩৬৭১৬০.৫৬ একর।১১. আবাদী জমির পরিমাণঃ২৭৪০৪৮.৯৭ একর।১২. মাথাপিছু আবাদি জমির পরিমাণঃ ০.২২ একর।১৩. এক ফসলি জমিঃ ৯৭৬১৬.৮৭ একর।১৪. দুই ফসলি জমিঃ ১৩৪৮৬৬.৯৪ একর।১৫. তিন ফসলি জমিঃ৩৭০৩৭.৬৫ একর।১৬. ফসলের নিবিড়তাঃ ১৭৬%১৭।উল্লেখযোগ্য ফলঃ আম, কাঁঠাল, কলা, তাল ইত্যাদি।১৮. হাট বাজারঃ ৮৯টি১৯. লঞ্চ / ট্রলার ঘাটঃ ১২টি২০. প্রধান ফসলঃ ধান, পাট, তৈলবীজ, ডাল ও গম ।২১. মৎস্য সম্পদঃ কৈ, শিং, মাগুর, চাপিলা, কাঁচকি, রুই, কাতলা, গনিয়া, কালিবাউশ, রায়েক, ঘেসোবাটা, পুটি, মলা, চেলা, বাঁশপাতা, আইর, টেংরা, বজুরী, রিটা, রোল, ঘাউরা, কাজলি, বাচা, সিলেন্দা, খলসা, কেচিখলসা, তপসে, শোল, গজার ও বাইন মাছ।২২. উল্লে­খযোগ্য নদ-নদীসমূহঃমধুমতি, বাঘিয়ার, ঘাঘর, পুরাতন কুমার, বিলরুট ক্যানেল, কালিগঙ্গা,টঙ্গীখাল, দিগনার, বাগদা, কুশিয়ারা, মধুপুর, শৈলদহ, ছন্দা।২৩. বাওড় / বিলঃ বর্ণি বাওড় ( টুঙ্গিপাড়া ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার আংশিক জুড়ে অবস্থিত),বাঘিয়ার বিল, চান্দার বিল।২৪. মৎস্য খামারঃ ১০টি সরকারি : ২টি বেসরকারি, মোট ১২টি।২৫. পোলট্রি ফার্মঃ ১৬৫টি সরকারি ১টি, বেসরকারি, মোট ১৬৬টি।২৬. প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ সরকারি ৫১৮টি, রেজিঃ ২৪৭টি , মোট ৭৬৫টি।২৭.মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ সরকারি ০৪টি, বেসরকারি ১৫৩টি, মোট ১৫৭টি।২৮. মাদ্রাসাঃ৪২টি (এবতেদায়ী ও দাখিল ২১টি, আলীম ১২টি, ফাযিল ০৭টি এবং কামিল ০২টি)২৯. মহাবিদ্যালয়ঃসরকারি ০৫টি, বেসরকারি ১৬টি, মোট ২১টি।৩০. বিশ্ববিদ্যালয়ঃ০১ টি (সরকারি ) ।৩১. মেডিকেল কলেজঃ০১ টি (সরকারি)৩২.অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ৩২টি।৩৩. এতিমখানাঃসরকারি ০২টি, বেসরকারি ১০৪টি, মোট ১০৬টি।৩৪. স্বাক্ষরতার হারঃ৫৮.১% ( ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী)৩৫. হাসপাতালঃ০৮টি (সরকারি ০৬টি, বেসরকারি ০২টি)৩৬. জেলখানাঃ০১টি ক) প্রতিষ্ঠাকালঃ ২০১০(নতুন), খ) বন্দী ধারণক্ষমতাঃ ৪৫০৩৭. উল্লেখযোগ্য এনজিওঃব্র্যাক, সিডা, কেয়ার, প্রশিকা, আশা, কারিতাস, সিসিডিবি, মাদারীপুর লিগাল এইড, এসজিএস।৩৮. বাৎসরিক গড় তাপমাত্রা২৫.৫০C৩৯. বাৎসরিক বৃষ্টিপাত১৮৮৫ মিলি মিটার ।৪০. সমূদ্র পৃষ্ঠ হতে গোপালগঞ্জ জেলার উচ্চতাঃতুলনামুলক ভাবে উচু অংশ ২৫ থেকে ৩০ ফুট এবং নিচু অংশ ১৪ থেকে ১৬ ফুট উচ্চে অবস্থিত ।৪১.উল্লে­খযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানঃ১.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ২. বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমী কোটালীপাড়া৩. শেখ সাহেরা খাতুন মেডিকেল কলেজ, গোপালগঞ্জ সদর৪. শেখ জামাল যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, টুঙ্গিপাড়া৫. শেখ রাসেল দুঃস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, টুঙ্গিপাড়া৬. ১০০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট,গোপালগঞ্জ সদর৭. ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ সদর৮. প্রাইমারী শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট, গোপালগঞ্জ সদর৯.বাংলাদেশ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, গোপালগঞ্জ সদর১০.নাসিং ইনষ্টিটিউট, গোপালগঞ্জ সদর১১.এসেনসিয়াল ড্রাগ সেন্টার, গোপালগঞ্জ সদর১২.শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম, গোপালগঞ্জ সদর১৩.মহিলা ক্রীড়া কমপেলক্স, গোপালগঞ্জ সদর১৪.সুইমিং পুল ও জিমন্যাসিয়াম, গোপালগঞ্জ সদর১৫.শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল, ভাটিয়াপাড়া-ঘোনাপাড়া, গোবরা, গোপালগঞ্জ সদর।১৬.পুরাতন স্কুলসমূহঃ স্বর্নকলি স্কুল, এস এম মডেল স্কুল, গোপালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, অনির্বান স্কুল, বীণাপানি স্কুল।১৭.কোর্টমসজিদঃ গোপালগঞ্জের প্রাণকেন্দ্রে কোর্টের পাশেই অবস্থিত ঐতিহাসিক একটি মসজিদ।১৮.খ্রিষ্টীয় মিশনারী ও ব্যক্তিত্ব: সাধু মধুরানাথ বসু। যিনি ছিলেন অবৈতনিক ম্যাজিস্ট্রেট ও খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারক, মথুরানাথ মিশন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা, খ্রিস্টান পাড়া আবাসিক এলাকার প্রতিষ্ঠাতা, এডভেন্টিটস্ মিশন(এক সময়ে নাম করা হাসপাতাল ছিলো), জার্মান মিশন, মিয়াপাড়া এজি মিশন, ওয়াইম এম সি এ, ওয়াই ডব্লিউ সি এ, ঘোষের চর ব্যাপ্টিস্ট মিশন ইত্যাদি, প্রত্যেকটি মিশনে রয়েছে স্কুল ( সর্ব ধর্মীয়)৪২. দর্শনীয় স্থানঃ১. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স, টুঙ্গিপাড়া।২.উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেমে দ্বীন আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।৩. কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ী (০৮ এপ্রিল হিন্দু সম্প্রদায়ের বার্ষিক আচার-অনুষ্ঠানের স্থান, কাশিয়ানী।গোপালগঞ্জের ইতিহাসইতিহাস, ঐতিহ্য, নামকরণ ও দর্শণীয় স্থানসমূহকে জানুন:-মধুমতির কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে আজকের গোপালগঞ্জ শহর। প্রাচীনকালে এ এলাকাটি বঙ্গ অঞ্চলের অন্তর্গত ছিল। সুলতানী ও মোঘল যুগে এ অঞ্চল হিন্দু রাজারা শাসন করতেন। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩) সময় গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা ছিল যশোর জেলার অন্তর্গত আর বাকী অংশ ছিল ঢাকা-জালালপুর জেলার অন্তর্ভুক্ত। ১৮০৭ সালে মুকসুদপুর থানা যশোর থেকে ফরিদপুর জেলার সাথে যুক্ত হয়। ফরিদপুর জেলার একটি পরগনার নাম ছিল জালালপুর। গোপালগঞ্জ সদর ও কোটালীপাড়া জালালপুর পরগনাভুক্ত ছিল। ১৮১২ সালে চান্দনা (মধুমতি) নদী যশোর ও ঢাকা-জালালপুর জেলার বিভক্ত রেখা হিসেবে নির্ধারিত হয়। গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর এলাকা ছিল বিশাল জলাভূমি। এখানে নৌ-ডাকাতির প্রকোপ ছিল বেশী। এজন্য বাকেরগঞ্জ থেকে বিভাজিত হয়ে ১৮৫৪ সালে মাদারীপুর মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়।১৮৭২ সালে মাদারীপুর মহকুমায় গোপালগঞ্জ নামক একটি থানা গঠিত হয়। ১৮৭৩ সালে মাদারীপুর মহকুমাকে বাকেরগঞ্জ জেলা থেকে ফরিদপুর জেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ১৯০৯ সালে মাদারীপুর মহকুমাকে ভেঙ্গে গোপালগঞ্জ মহকুমা গঠন করা হয়। গোপালগঞ্জ এবং কোটালীপাড়া থানার সঙ্গে ফরিদপুর মহকুমার মুকসুদপুর থানাকে নবগঠিত গোপালগঞ্জ মহকুমার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।গোপালগঞ্জের প্রথম মহকুমা প্রশাসক ছিলেন জনাব সুরেশ চন্দ্র সেন। ১৯১০ সালে মহকুমা প্রশাসকের বেঞ্চ কোর্ট ফৌজদারি কোর্টে উন্নীত হয়। ১৯২১ সালে গোপালগঞ্জ শহরের মানে উন্নীত হয়। আদমশুমারি অনুযায়ী তখন গোপালগঞ্জ শহরের লোকসংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪ শত ৭৮ জন মাত্র। ১৯২৫ সালে গোপালগঞ্জে সিভিল কোর্ট চালু হয়।১৯৩৬ সালে মুকসুদপুর থানা বিভক্ত হয়ে কাশিয়ানী থানা গঠিত হয়। ১৯৭৪ সালে গোপালগঞ্জ সদর থানাকে ভেঙ্গে টুঙ্গিপাড়া নামক একটি থানা গঠন করা হয়। ১৯৮৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলার প্রথম জেলা প্রশাসক ছিলেন জনাব এ. এফ. এম. এহিয়া চৌধুরী।বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা ০৫ টি উপজেলা, ০৫ টি থানা, ০৪ টি পৌরসভা, ৬৮টি ইউনিয়ন এবং ৬৫৩ টি মৌজা নিয়ে গঠিত। বর্তমানে জনাব শাহিদা সুলতানা, জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত আছেন।এ জেলার উত্তরে ফরিদপুর জেলা, দক্ষিণে পিরোজপুর ও বাগেরহাট জেলা, পূর্বে মাদারীপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে নড়াইল জেলা অবস্থিত ।গোপালগঞ্জের নামকরণঃ কলকাতার জ্ঞানবাজার নিবাসী প্রীতিরাম দাস ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে অনুর্বর অসমতল মকিমপুর পরগনা (বর্তমান বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার আওতায়) জমিদারী তৎসময়ে ঊনিশ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। তার দ্বিতীয় পুত্র রাজচন্দ্র দাস ১৮০৪ খ্রিষ্টাব্দের ২১ এপ্রিল মাহিষ্য বংশীয় মেয়ে রাসমনিকে বিয়ে করেন। জমিদার রাজচন্দ্র তার স্ত্রী রানী রাসমনি ও তাঁর বিবাহিত তিন মেয়েকে রেখে ১৮৩৬ খ্রিষ্টাব্দের ৯ জুন মাত্র ৪৯ বৎসর বয়সে মারা যান। জমিদার রাজচন্দ্র ও রাসমনির কোন পুত্র সন্তান ছিলো না। চার কন্যার মধ্যে প্রথম কন্যা পদ্মমনির বিয়ে হয় রামচন্দ্রের সাথে। তাঁদের মহেন্দ্র নাথ, গনেশচন্দ্র, সৌদামিনী, সুভদ্রা, বলরাম, কালী এবং সতীনাথ নামে সাতটি সন্তান জন্ম হয়। প্রথম পুত্র মহেন্দ্র নাথ অকালে মৃত্যুবরণ করেন। ফলে জীবিত বয়েজ্যেষ্ঠ পুত্র গনেশ জমিদার হন। খাটরা এস্টেটের প্রজারা রানীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে খাটরা এস্টেটের রাজগঞ্জ বাজারের নাম বদল করে রানীর নাতি তথা গনেশের একমাত্র পুত্র নব গোপালের নামানুসারে রাখতে চান। নব গোপালের নামের “গোপাল ” ও রাজগঞ্জের “গঞ্জ” এই মিলিয়ে গোপালগঞ্জ নামকরণ করা হয়।অন্য আরেকটি সূত্রেঃ-গোপালগঞ্জ জেলা শহরের রয়েছে প্রাচীন ইতিহাস। অতীতের রাজগঞ্জ বাজার আজকের জেলা শহর গোপালগঞ্জ। আজ থেকে প্রায় শতাব্দীকাল পূর্বে শহর বলতে যা বুঝায় তার কিছুই এখানে ছিলোনা। এর পরিচিতি ছিলো শুধু একটি ছোট্ট বাজার হিসেবে। এঅঞ্চলটি মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদার রানী রাসমণির এলাকাধীন ছিলো। উল্লেখ্য রানী রাসমণি একজন জেলের মেয়ে ছিলেন। সিপাই মিউটিনির সময় তিনি একজন উচ্চ পদস্থ ইংরেজ সাহেবের প্রাণ রক্ষা করেন। পরবর্তীতে তারই পুরস্কার হিসাবে বৃটিশ সরকার রাসমণিরকে মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদারী প্রদার করেন এবং তাঁকে রানী উপাধিতে ভূষিত করেন। রানী রাসমণির এক নাতির নাম ছিলো নব-গোপাল তিনি তাঁর স্নেহাস্পদ নাতির নাম এবং পুরানো ইতিহাসকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নাতিন নামের ‘গোপাল’ অংশটি প্রথমে রেখে তার সাথে রাজগঞ্জের ‘গঞ্জ’ যোগ করে এ জাযগাটির নতুর নামকরণ করেন গোপালগঞ্জ। ১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি।★এক নজরে গোপালগঞ্জ১/ভৌগোলিক অবস্থানপ্রায় ২২০৫১’ থেকে ২৩০৫০’ উত্তর অক্ষাংশ ও ৮৯০০’ থেকে ৯০০১০’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।২)আয়তনঃ১৪৮৯.৯২ বর্গ কিঃমিঃ।৩)মোট জনসংখ্যাঃ১১,৭২,৪১৫ জন (২০১১৪)পুরুষঃ৫,৭৭,৮৬৮ জন।৫)মহিলাঃ৫,৯৪,৫৪৭ জন।৬)গোপালগঞ্জ সদর উপজেলাঃ৩,৪৪,০০৮ জন।৬)মুকসুদপুর উপজেলাঃ২,৮৯,৪০৬ জন।৭)কাশিয়ানী উপজেলাঃ-২,০৭,৬১৫ জন।৮/কোটালীপাড়া উপজেলাঃ২,৩০,৪৯৩ জন।৯/টুঙ্গিপাড়া উপজেলাঃ১,০০,৮৯৩ জন।১০/জনসংখ্যার ঘনত্বঃ৭৮৭ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে (২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে)।১১/উল্লেখযোগ্য পেশাঃকৃষিজীবী, মৎস্যজীবী, চাকুরীজীবী, শিক্ষকতা, আইনজীবী, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী ।১৩/সংসদীয় আসন সংখ্যাসমূহঃ০৩টি, ২১৫ গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর- কাশিয়ানী (সিংগা, হাতিয়াড়া, পুইসুর, বেথুড়ী,নিজামকান্দি, ওড়াকান্দি, ফুকরা ইউনিয়ন সমূহ ব্যতীত)), ২১৬ গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর- কাশিয়ানী (সিংগা, হাতিয়াড়া, পুইসুর, বেথুড়ী,নিজামকান্দি, ওড়াকান্দি, ফুকরা ইউনিয়ন সমূহ)),২১৭ গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া)।৭. প্রশাসনিক বিভাজনঃক) উপজেলাঃ০৫টি । (১) গোপালগঞ্জ সদর (২) মুকসুদপুর (৩) কাশিয়ানী (৪) কোটালীপাড়া (৫) টুঙ্গিপাড়া।খ) মোট পৌরসভাঃ০৪টি (গোপালগঞ্জ, কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া, মুকসুদপুর)গ)মোট ইউনিয়ন পরিষদঃ ৬৮টিঘ) মোট গ্রামঃ ৯০৫টিঙ) মৌজাঃ ৬৫৩টি৮. পোস্টাল কোডগোপালগঞ্জ সদর উপজেলাঃ ৮১০০কোটালীপাড়া উপজেলাঃ ৮১১০টুঙ্গিপাড়া উপজেলাঃ ৮১২০কাশিয়ানী উপজেলাঃ ৮১৩০মুকসুদপুর উপজেলাঃ ৮১৪০৯. এন ডব্লিউ ডি কোড ০২১০. মোট জমির পরিমাণঃ ৩৬৭১৬০.৫৬ একর।১১. আবাদী জমির পরিমাণঃ২৭৪০৪৮.৯৭ একর।১২. মাথাপিছু আবাদি জমির পরিমাণঃ ০.২২ একর।১৩. এক ফসলি জমিঃ ৯৭৬১৬.৮৭ একর।১৪. দুই ফসলি জমিঃ ১৩৪৮৬৬.৯৪ একর।১৫. তিন ফসলি জমিঃ৩৭০৩৭.৬৫ একর।১৬. ফসলের নিবিড়তাঃ ১৭৬%১৭।উল্লেখযোগ্য ফলঃ আম, কাঁঠাল, কলা, তাল ইত্যাদি।১৮. হাট বাজারঃ ৮৯টি১৯. লঞ্চ / ট্রলার ঘাটঃ ১২টি২০. প্রধান ফসলঃ ধান, পাট, তৈলবীজ, ডাল ও গম ।২১. মৎস্য সম্পদঃ কৈ, শিং, মাগুর, চাপিলা, কাঁচকি, রুই, কাতলা, গনিয়া, কালিবাউশ, রায়েক, ঘেসোবাটা, পুটি, মলা, চেলা, বাঁশপাতা, আইর, টেংরা, বজুরী, রিটা, রোল, ঘাউরা, কাজলি, বাচা, সিলেন্দা, খলসা, কেচিখলসা, তপসে, শোল, গজার ও বাইন মাছ।২২. উল্লে­খযোগ্য নদ-নদীসমূহঃমধুমতি, বাঘিয়ার, ঘাঘর, পুরাতন কুমার, বিলরুট ক্যানেল, কালিগঙ্গা,টঙ্গীখাল, দিগনার, বাগদা, কুশিয়ারা, মধুপুর, শৈলদহ, ছন্দা।২৩. বাওড় / বিলঃ বর্ণি বাওড় ( টুঙ্গিপাড়া ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার আংশিক জুড়ে অবস্থিত),বাঘিয়ার বিল, চান্দার বিল।২৪. মৎস্য খামারঃ ১০টি সরকারি : ২টি বেসরকারি, মোট ১২টি।২৫. পোলট্রি ফার্মঃ ১৬৫টি সরকারি ১টি, বেসরকারি, মোট ১৬৬টি।২৬. প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ সরকারি ৫১৮টি, রেজিঃ ২৪৭টি , মোট ৭৬৫টি।২৭.মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ সরকারি ০৪টি, বেসরকারি ১৫৩টি, মোট ১৫৭টি।২৮. মাদ্রাসাঃ৪২টি (এবতেদায়ী ও দাখিল ২১টি, আলীম ১২টি, ফাযিল ০৭টি এবং কামিল ০২টি)২৯. মহাবিদ্যালয়ঃসরকারি ০৫টি, বেসরকারি ১৬টি, মোট ২১টি।৩০. বিশ্ববিদ্যালয়ঃ০১ টি (সরকারি ) ।৩১. মেডিকেল কলেজঃ০১ টি (সরকারি)৩২.অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানঃ৩২টি।৩৩. এতিমখানাঃসরকারি ০২টি, বেসরকারি ১০৪টি, মোট ১০৬টি।৩৪. স্বাক্ষরতার হারঃ৫৮.১% ( ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী)৩৫. হাসপাতালঃ০৮টি (সরকারি ০৬টি, বেসরকারি ০২টি)৩৬. জেলখানাঃ০১টি ক) প্রতিষ্ঠাকালঃ ২০১০(নতুন), খ) বন্দী ধারণক্ষমতাঃ ৪৫০৩৭. উল্লেখযোগ্য এনজিওঃব্র্যাক, সিডা, কেয়ার, প্রশিকা, আশা, কারিতাস, সিসিডিবি, মাদারীপুর লিগাল এইড, এসজিএস।৩৮. বাৎসরিক গড় তাপমাত্রা২৫.৫০C৩৯. বাৎসরিক বৃষ্টিপাত১৮৮৫ মিলি মিটার ।৪০. সমূদ্র পৃষ্ঠ হতে গোপালগঞ্জ জেলার উচ্চতাঃতুলনামুলক ভাবে উচু অংশ ২৫ থেকে ৩০ ফুট এবং নিচু অংশ ১৪ থেকে ১৬ ফুট উচ্চে অবস্থিত ।৪১.উল্লে­খযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানঃ১.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ২. বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমী কোটালীপাড়া৩. শেখ সাহেরা খাতুন মেডিকেল কলেজ, গোপালগঞ্জ সদর৪. শেখ জামাল যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, টুঙ্গিপাড়া৫. শেখ রাসেল দুঃস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, টুঙ্গিপাড়া৬. ১০০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্লান্ট,গোপালগঞ্জ সদর৭. ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ সদর৮. প্রাইমারী শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট, গোপালগঞ্জ সদর৯.বাংলাদেশ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, গোপালগঞ্জ সদর১০.নাসিং ইনষ্টিটিউট, গোপালগঞ্জ সদর১১.এসেনসিয়াল ড্রাগ সেন্টার, গোপালগঞ্জ সদর১২.শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম, গোপালগঞ্জ সদর১৩.মহিলা ক্রীড়া কমপেলক্স, গোপালগঞ্জ সদর১৪.সুইমিং পুল ও জিমন্যাসিয়াম, গোপালগঞ্জ সদর১৫.শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল, ভাটিয়াপাড়া-ঘোনাপাড়া, গোবরা, গোপালগঞ্জ সদর।১৬.পুরাতন স্কুলসমূহঃ স্বর্নকলি স্কুল, এস এম মডেল স্কুল, গোপালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, অনির্বান স্কুল, বীণাপানি স্কুল।১৭.কোর্টমসজিদঃ গোপালগঞ্জের প্রাণকেন্দ্রে কোর্টের পাশেই অবস্থিত ঐতিহাসিক একটি মসজিদ।১৮.খ্রিষ্টীয় মিশনারী ও ব্যক্তিত্ব: সাধু মধুরানাথ বসু। যিনি ছিলেন অবৈতনিক ম্যাজিস্ট্রেট ও খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারক, মথুরানাথ মিশন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা, খ্রিস্টান পাড়া আবাসিক এলাকার প্রতিষ্ঠাতা, এডভেন্টিটস্ মিশন(এক সময়ে নাম করা হাসপাতাল ছিলো), জার্মান মিশন, মিয়াপাড়া এজি মিশন, ওয়াইম এম সি এ, ওয়াই ডব্লিউ সি এ, ঘোষের চর ব্যাপ্টিস্ট মিশন ইত্যাদি, প্রত্যেকটি মিশনে রয়েছে স্কুল ( সর্ব ধর্মীয়)৪২. দর্শনীয় স্থানঃ১. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স, টুঙ্গিপাড়া।২.উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেমে দ্বীন আল্লামা শামসুল হক ফরিদপুরী (রহঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।৩. কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ী (০৮ এপ্রিল হিন্দু সম্প্রদায়ের বার্ষিক আচার-অনুষ্ঠানের স্থান, কাশিয়ানী।

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started